Brazil star Marcelo's back injury.
Marcelo's back injury may be down to his hotel mattress, claims team doctor
ঈশ্বর আপনার জন্য কী
প্ল্যান করে রেখেছে আপনি হয়ত জানেন না। যখন বিশ্বের সেরা লেফট ব্যাক যাকে সর্বকালের সেরাদের একজন ধরা হয় মার্সেলো
১০ মিনিটের মাথায় মাঠ ছেড়ে দিলো
তখন সারা বিশ্বের অগুনিত ব্রাজিল সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেলো। তারপরেই মাঠে নামলো বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা
লেফট ব্যাক ফিলিপে লুইজ। একেই
বলে স্রষ্টার লীলা খেলা।
আবার বিশ্বের সেরা
রাইট ব্যাক দানি আলভেজ এবং দলের দ্বিতীয় সেরা ম্যানচেস্টার সিটির দানিলোর ইনজুরি সত্ত্বেও খুব ভালোভাবেই সামাল
দিচ্ছে ফ্যাগনার। এখানে উইলিয়ানকে
কৃতিত্ব দিতেই হবে। রাইট উইঙ্গার হিসেবে উইলিয়ান খেললেও এটাকের সময় নিচে নেমে এসে খুব দারুণভাবে ডিফেন্সও সামলায়। যা
তরুণ ফ্যাগনারের উপর চাপ কমায়। তবে
উইলিয়ানের আরও বেশি ক্রস প্রডিউস করতে হবে। তাহলে নেইমার কৌটিনহো আরও বেশি গোল উপহার দিতে পারবে...
ডিফেন্স কতটা অনিন্দ্য সুন্দর হতে পারে পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে ব্রাজিল দল সেটা দেখিয়ে দিয়েছে। ৩ ম্যাচে মাত্র গোল হজম করেছে ব্রাজিল ১ টা, তাও সেটা ছিল ফাউল। আজকের ম্যাচে ডিফেন্সের কেউই কার্ড পায়নি। নিখুঁত সব ট্যাকেল। সলিড ডিফেন্স যাকে বলে।
৭০ মিলিয়ন সংখ্যাটা একজন গোলকিপারের নামের পাশে অবিশ্বাস্য। তার বাজারদর বিশ্বকাপের পর ৭০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সার্বিয়ার প্লেয়ারদের উচ্চতা খুবই বেশি। কর্নারে গোল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু প্রতিবারই গোলকিপার এলিসন বেকারের বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল সার্বিয়াকে বোকা বানিয়েছে। মানুষ হুদাই ডি গিয়া, নয়ার নিয়া ফাল মারছে এবার। কিন্তু ডি গিয়া প্রথম রাইন্ডেই ৫ টা গোল হজম করছে। মেনুয়েল নয়ার ৪ টা। সেখানে এলিসন বেকার মাত্র ১টা, তাও আবার ফাউল থেকে। ৭০ মিলিয়ন ম্যান বলে কথা...
সার্বিয়া হচ্ছে ইউরোপের কসাই, তাদের হাতে বহু মানুষ খুনের রক্তের দাগ। রক্তের হলি খেলায় তারা মেতে উঠে সব সময়। বসনিয়া, আলবেনিয়ার গণহত্যার সাথে তারা জড়িত।মাঠেও আজ প্রচুর ফালতু ট্যাকেল করেছে। জাতিগত স্বভাব বলে কথা। রক্ত নিয়ে খেলা সার্বিয়ানরা ভাবতেও পারেনি ব্রাজিল তাদের নিয়ে এভাবে মাঠে রীতিমত ছেলেখেলায় মেতে উঠবে।
ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে তাদের সোনালি প্রজন্ম নিয়ে এসেছে। সাইড বেঞ্চ কতটা স্ট্রং সেটা আজকের ম্যাচে সবাই দেখেছে মার্সেলোর ইনজুরির পর নামা ফিলিপে লুইসের খেলা দেখে। ফিরমিনো তো এখনো সাইড বেঞ্চে। আশা করি মার্সেলো, কস্তা খুব শীঘ্রই ফিরে আসবে। এই সোনালি প্রজন্মের সমস্যা একটা জায়গায় বয়স কম, আর ইনজুরি প্রবণতা। ইনজুরি এখন ব্রাজিলের অন্যতম শত্রু। ভাগ্যকে এখন ব্রাজিলের পাশে দরকার, প্রতিভার আর দরকার নেই। ভাগ্য পাশে থাকলে এই ব্রাজিল আরও কয়েক দশক বিশ্ব মঞ্চ দাপিয়ে বেড়াবে...
জোগো বনিতার দেশ ব্রাজিল। তাদের কাছে প্রত্যাশাটা অন্য সব দলের চেয়ে বেশি থাকে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই তারা সেকেন্ড রাউন্ডে কোয়ালিফাই করেছে। প্রতিপক্ষের জালে গোল দিয়েছে ৫ টা, আর গোল হজম করেছে মাত্র ১ টা। যে কেউই দলের প্রয়োজনে গোল দিয়ে দিতে পারে। সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয় এটা...
মস্তিকের সৃজনশীলতা আর হৃদয় উজাড় করে দিয়ে ব্রাজিল সৃষ্টিশীল ফুটবলের উৎসবে মেতে উঠে। তাই বলা হয় ব্রাজিল দ্যা সিনোনিম অব ফুটবল। অব্যাহত থাকুক নেইমার-কৌটিনহোদের জয়যাত্রা। বিশ্বকাপটা বেশি মানানসই হবে নেইমার কৌটিনহোর হাতে ...
সবার ৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়না। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সৌভাগ্য হয় না। ব্রাজিল সেভেন আপও খায়, আবার ৭ পয়েন্টও অর্জন করে। কিন্তু ইরানের সমান ৪ পয়েন্ট অর্জন করে গলাবাজি করা মানায় না।
আর বেশি কিছু বলা যাবে না। বললে আবার চাকরি থাকবে না। শুধু বলতে চাই খেলা হবে ফ্রান্স।
YOUNG XI BULLET SPORTING CLUB also have facebook fan page & facebook fan group.


No comments